হযরত ইমাম জাফর সাদিক্ব (আঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে শেষ যুগের লোকদের জীবিকা কেন সীমাবদ্ধ থাকবে?
তিনি বলেন : কারণ তাদের নামায কাযা হবে।
একদা এক ব্যক্তি ইমাম জাফর সাদিক্ব (আঃ) এর খেদমতে এসে বলে যে আমি একটি পাপ করেছি।
তিনি বলেন : আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ক্ষমা করবেন।
লোকটি বললঃ আমি যে পাপ করেছি সেটা মহৎ।
ইমাম (আঃ) বলেন : এটি যদি কোন পর্বতের সমান হয় তাও আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করে দেবেন।
লোকটি পুনরায় বলে : আমার পাপ খুবই বড়।
তিনি জিজ্ঞাসা করেন : তবে তুমি কোন পাপে লিপ্ত হয়েছো ?
এরপরে লোকটি ইমামের কাছে নিজের গুনাহের বিষয়টি ব্যাখ্যা করলেন।
লোকটির বক্তব্য যখন শেষ হয়ে গেল তখন তিনি লোকটিকে সম্বোধন করে বললেন : আল্লাহ তাআলা তবুও ক্ষমা করবেন, আমি ভয় করছিলাম যে তুমি সকালের নামায তো কাযা করনি।
একইভাবে, আয়াতুল্লাহ হাজী শেখ হাসান আলী ইসফাহানী (যিনি নাখোদকি নামে পরিচিত) ওসিয়াত করে নিজের পুত্রকে বলেন : যদি কোনও ব্যক্তি চল্লিশ দিন পর্যন্ত আধ্যাত্মিক সাধনা ও ইবাদত করেন এবং একবার তার সকালের নামায কাযা হয়ে যায় তবে চল্লিশ দিনের ইবাদত ও আধ্যাত্মিক সাধনার ফলাফল গুরুত্বহীন হয়ে যাবে।
(জেহাদ বিন নাফস্ খন্ড ১ পৃষ্ঠা ৬৬., ওসায়েলুশ শিয়া খন্ড ৩ পৃষ্ঠা ১৫৬., বিহারুল আনওয়ার খন্ড ৮ পৃষ্ঠা ৭৩)###